আইন-আদালত
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে পুলিশের তাড়া খেয়ে চুরি হওয়া ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা ফেলে রেখে পালিয়েছে চোর।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌর শহরের দৌলতপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে এসব মালামাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
আজ শনিবার মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে পৌর শহরের দৌলতপুর এলাকায় আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাসায় এ চুরির ঘটনাটি ঘটে। এ সময় ঘরে থাকা স্বর্ণের ১জোড়া কানের দুল, ১টি গলার হার, ১টি গলার চেইন, হাতের ১ জোড়া বালা ও ডায়মন্ডের ১টি আংটিসহ ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও নগদ ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় চোরেরা। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার থানায় অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ পেয়েই মালামাল উদ্ধার ও চোর ধরতে অভিযানে নামে থানা পুলিশ। ব্যাপক সাড়াশি অভিযানে ভীত হয়ে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় আল মামুনের বারান্দায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ফেলে রেখে যায় চোরেরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে এসব মালামাল উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে আল মামুনের ছোট ভাই ফুয়াদ হাসান বলেন, “শুক্রবার রাতে বাসার বারান্দায় চুরি যাওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ফেলে রেখে গেছে চোরেরা। গুণে দেখেছি সবকিছু ঠিকঠাকই আছে, কোন কিছুই কমতি নেই। যথা সময়ে পুলিশ উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা চুরি হওয়া টাকা ও স্বর্ণালংকার ফেরত পেয়েছি। এ জন্য আমরা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞ।"
ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, “অভিযোগ পেয়েই মালামাল উদ্ধার ও চোর ধরতে ব্যাপক অভিযান শুরু করি। পুলিশের তৎপরতায় ভীত হয়ে চুরি হয়ে মালামাল ও টাকা যথাস্থানে ফেলে রেখে গেছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত মালামাল ও নগদ টাকা
ভোক্তভোগী মালিক আল মামুনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের ধরার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
সর্বশেষ