জাতীয়
দেশব্যাপী নির্বাচনী আমেজ বইছে এবং আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। যারা নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তারা পূর্বের ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ও নানাভাবে সুবিধাভোগী ছিলেন।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে নেত্রকোনা জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, “যারা নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চায়, তদন্ত করলে দেখা যাবে তারা পতিত সরকারের নানান সুবিধা পেয়েছেন। কেউ পূর্বাচল থেকে প্লট পেয়েছেন, কেউ মনিটরিং বেনিফিট পেয়েছেন। তাই নির্বাচন নিয়ে কোনও বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। সময়মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে আগে থেকেই মব ভায়োলেন্স ছিল। গত ২৪ জুলাইয়ের পরেও কিছু সহিংসতা হয়েছে, তা অস্বীকার করছি না। তবে পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। পূর্বের মতো অরাজক পরিস্থিতির কোনো লক্ষণ নেই।”
প্রেস সচিব জানান, জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণকে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতেই সরকার কাজ করছে।
গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গণমাধ্যম সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের সঙ্গে গণমাধ্যমের পারস্পরিক আস্থা আরও সুদৃঢ় হওয়া প্রয়োজন।”
মতবিনিময় সভায় নেত্রকোনা জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন। তারা স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা ও পেশাগত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন এবং সাংবাদিকতা পেশার মানোন্নয়নে বিভিন্ন প্রস্তাব রাখেন।
সর্বশেষ